মোঃ তালাত মাহামুদ,জেলা প্রতিনিধি, নরসিংদী:
সাংবাদিকতা শুধুমাত্র একটি পেশার নাম নয়, এটি সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার এক সাহসী অঙ্গীকার। সমাজের অন্যায়, দুর্নীতি, অনিয়ম ও অবহেলিত মানুষের কথা তুলে ধরার মহান দায়িত্ব যাঁরা কাঁধে তুলে নেন, তাঁরাই প্রকৃত “কলম যোদ্ধা”। সেই মহান পেশার একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র, নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার শ্রীরামপুরের কৃতি সন্তান, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ও রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংবাদিক, জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক শ্রদ্ধেয় এম কাজল খান।
নিজ যোগ্যতা, সততা, সাহসিকতা ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি সাংবাদিক সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গাজীপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করেও তিনি দেশের সাংবাদিক অঙ্গনে অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। সাংবাদিকদের নয়নের মনি হিসেবে পরিচিত এম কাজল খান শুধু একজন সম্পাদকই নন, তিনি একজন সংগঠক, সমাজসেবক ও মানবিক ব্যক্তিত্ব। অসংখ্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্ণধার হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। পাশাপাশি গাজীপুরের একাধিক ক্লাব ও সংগঠনের উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবেও তাঁর অবদান প্রশংসনীয়।
তাঁর জীবন সংগ্রাম, নেতৃত্বগুণ ও সাহসী সাংবাদিকতা আজ দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম। সত্য প্রকাশে নির্ভীক অবস্থান, দেশপ্রেম ও মানবতার প্রতি অগাধ ভালোবাসা তাঁকে একজন আদর্শ “কলম যোদ্ধা” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি বিশ্বাস করেন—সাংবাদিকতা মানে মানুষের কথা বলা, নির্যাতিতের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজকে সত্যের আলো দেখানো।
আমি, মোঃ তালাত মাহামুদ, শ্রদ্ধেয় এম কাজল খানের আদর্শকে অনুসরণ ও অনুকরণ করে ভবিষ্যতে একজন সৎ, সাহসী ও মানবিক সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। তাঁর কর্মময় জীবন আমাকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে আমিও ইতিহাস সৃষ্টি করতে চাই, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে একজন প্রকৃত “কলম যোদ্ধা” হতে চাই।
বর্তমান সময়ে যখন অপসাংবাদিকতা সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তখন এম কাজল খানের মতো আদর্শবান সাংবাদিকরা আমাদের জন্য আশার প্রদীপ। তাঁর সততা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেম আগামী প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
পরিশেষে, শ্রদ্ধেয় এম কাজল খানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি। তিনি যেন আজীবন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে দেশের সাংবাদিক সমাজকে নেতৃত্ব দিয়ে যেতে পারেন—এই প্রত্যাশাই রইল।