
এসকে মাহামুদ
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের নবাগত প্রশাসক অধ্যাপক ডা: মইনুল হাসান সাদিককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে গত ১৬ এপ্রিল দুপুরে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক নবাগত প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, গাইবান্ধা জেলার রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ের নিজস্ব ৫৩ শতাংশ জমি থাকলেও তথাকথিত ভূমিদস্যুদের দখলের কারণে সেখানে জেলার দালিলিক রেকর্ড সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে দালিলিক প্রমাণাদি ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বর্তমানে অপ্রতুল সুবিধাসম্পন্ন রেকর্ড রুমে সংরক্ষণ করতে হচ্ছে।
তিনি জানান, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাবে বর্ষা মৌসুমে নথিপত্র স্যাতস্যাতে হয়ে যাচ্ছে এবং গ্রীষ্মকালে শুকিয়ে নষ্ট হয়ে পড়ছে। এতে মূল্যবান দলিলাদি বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত দখলকৃত জমি উদ্ধার করে রেকর্ড রুমের জন্য সুরক্ষা বেষ্টনী দেয়াল নির্মাণের জোর দাবি জানান। অন্যথায় জেলার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের দালিলিক কাগজপত্র মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি দলিল লেখকদের বিভিন্ন সমস্যা, পেশাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং সেবার মানোন্নয়ন নিয়েও বক্তব্য রাখেন।
নবাগত প্রশাসক অধ্যাপক ডা: মইনুল হাসান সাদিক তাঁর বক্তব্যে বলেন, জেলা পরিষদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি দলিল লেখকদের উত্থাপিত যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
সভায় জেলা দলিল লেখক সমিতির উপদেষ্টা ফয়জার রহমান, সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মিথেল, দপ্তর সম্পাদক তোজাম্মেল হক সরকার, কোষাধ্যক্ষ রিয়াজ আহম্মেদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ফুলছড়ি, সাঘাটা, সাদুল্ল্যাপুর, সুন্দরগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী উপজেলার দলিল লেখক সমিতির নেতারাও সভায় অংশ নেন।
Leave a Reply