গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার উত্তর উল্লা গ্রামের বাসিন্দা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও গণ অধিকার পরিষদ (জিওপি) গাইবান্ধা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সামিউল ইসলাম তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে অপপ্রচার, মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ এবং মানহানিকর প্রচারণার অভিযোগে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জিডি সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে রবিউল ইসলাম রিমন ও মো. রুমান বসুনিয়া তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন আইডি ব্যবহার করে আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট প্রকাশ করে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা তার ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অসত্য তথ্য ছড়িয়ে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছেন।
এছাড়া পোস্টগুলো সরিয়ে নেওয়ার নামে অর্থ দাবি এবং অর্থ প্রদান না করলে আরও অপপ্রচার চালানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সামিউল ইসলাম অভিযোগ করেন, সম্প্রতি গাইবান্ধা নিউজ টিভি, দূর্নীতির তালাশ টিম সহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব সংবাদ ও প্রচারণার মাধ্যমে তাকে রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা করা এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে সামিউল ইসলাম বলেন, “আমি একজন ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আমার সম্মানহানি করার অপচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।
তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে যে উকিল নোটিশের বিষয়টি প্রচার করা হয়েছে, সে বিষয়ে যথাযথ আইনগত জবাব প্রদান করা হয়েছে। এরপরও একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে তিনি প্রশাসনের কাছে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
এদিকে গাইবান্ধা সদর থানা অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে গ্রহণ করেছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।