• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
Headline
তীব্র তাপদাহে বিপর্যস্ত গাইবান্ধার জনজীবন : আখের রসে পিপাসা নিবারণের চেষ্টা বেতনের হিসাব মিলছে না সম্পদের পাহাড়ের সঙ্গে: এনবিআর কর্মকর্তার নামে-বেনামে ৪০০ কোটির বেশি সম্পদের অনুসন্ধান চায়ের কাপে চেয়ারম্যানি নয়, রায় দেবে জনগণ বুড়িচংয়ে নুরুল ইসলাম (আবদুল হক মাস্টার) চেয়ারম্যান স্মৃতি শিক্ষা ফাউন্ডেশন এর বৃত্তি সনদ প্রদান অনুষ্ঠিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি গাজীপুরে সাংবাদিক অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ: বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, ক্যামেরা-নগদ টাকা লুট; গ্রেপ্তার- ৫ গাইবান্ধায় বিদেশে চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগ: গণঅধিকার পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ ডিবিসি’র শাফায়েতের কবলে নারী উপস্থাপিকারা, পরকীয়ায় অভিযোগ তদন্তে দোষী প্রমাণিত হয়ে চাকুরিচ্যুত ছাতকে বসেছে ইজারা বহির্ভূত পশুর হাট, রাজস্ব হারালো সরকার জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক–২০২৬: নরসিংদীর শ্রেষ্ঠ ইউএনও আসমা জাহান সরকার

নরসিংদীর হাজীপুরে কোটি টাকার মাদকসহ ‘বুইদদা’ সুজন গ্রেপ্তার: জামিনে বেরিয়ে ফের সক্রিয় চক্র, আতঙ্কে এলাকাবাসী

Reporter Name / ৭৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

তালাত মাহামুদ,বিশেষ প্রতিনিধি:

নরসিংদীর হাজীপুর এলাকায় কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ও একটি গাড়িসহ গ্রেপ্তার হওয়া আলোচিত মাদক কারবারি সুজন ওরফে ‘বুইদদা’ সুজন জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সুজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তার গড়ে তোলা পুরো মাদক সিন্ডিকেট এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। ফলে এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে হাজীপুর ও আশপাশের এলাকায় ইয়াবা, গাঁজা ও বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল সুজনের চক্র। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক ও একটি গাড়িসহ সুজন গ্রেপ্তার হলেও কিছুদিন পর জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও পুরোনো নেটওয়ার্ক সক্রিয় করে তোলে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
অভিযোগ রয়েছে, সুজনের পরিবারের একাধিক সদস্যও এই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে তার বোন সখি, ছোট ভাই এবং দাদা অবনীর বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক সরবরাহ ও সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তবে নানা কারণে তারা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
একাধিক এলাকাবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “সুজন গ্রেপ্তার হওয়ার পর কিছুদিন এলাকায় স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু জামিনে বের হওয়ার পর আবারও আগের মতো মাদক বিক্রি শুরু হয়েছে। এখন তারা আরও কৌশলী হয়ে উঠেছে। রাতের আঁধারে বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করা হচ্ছে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। মাদক ব্যবসার টাকায় তারা অল্প সময়েই বিপুল সম্পদের মালিক বনে যায়। এলাকায় নির্মাণ করেছে আলিশান বাড়ি ও বহুতল ভবন। তাদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় যুবসমাজের অভিভাবকরা বলছেন, মাদকের সহজলভ্যতার কারণে এলাকার অনেক তরুণ বিপথে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মাঝেও মাদকের বিস্তার ঘটছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু সুজনকে গ্রেপ্তার করলেই হবে না; তার পুরো সিন্ডিকেটকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে তাদের অবৈধ সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখে তদন্তের মাধ্যমে বাজেয়াপ্ত করারও দাবি জানান তারা।
সচেতন মহল মনে করছে, নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ছাড়া হাজীপুর এলাকা থেকে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে পুরো এলাকাকে মাদকমুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা